Trending Bangla Blogs

জেনে নিন অলসতা দূর করার কার্যকরী উপায়

102

স্মার্টফোন, আইপ্যাড ছাড়া যেন শিশু-কিশোরদের চলেই না৷ মোট ১২৫,০০০ শিশু-কিশোরকে নিয়ে ২০টি সমীক্ষা করা হয় ব্রিটেনের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ ঘুমের আগে পিসি বা ফোনের ডিসপ্লের আলো ঘুমের হরমোনকে ছড়িয়ে দিতে বাধা সৃষ্টি করে৷ তাই বাবা মা’দের প্রতি গবেষক প্রধানের পরামর্শ, ‘ঘুমের আগে যেন তাদের সন্তানদের প্রযুক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখা হয়৷ কারণ শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য ভালো ঘুমের বিকল্প নেই৷’

জেনে নিন অলসতা দূর করার কার্যকরী উপায়ঃ 

শিশু-কিশোরদের নিয়ে জার্মানির টেশনিকার স্বাস্থ্যবিমা কোম্পানির করা এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে শতকরা ১৭ জনই স্বীকার করেছে, দিনে কয়েক ঘণ্টা অনলাইন থেকে দূরে থাকলে ওদের কিছু একটা হারিয়ে যাওয়ার মতো ভয় হয়, যে অনুভূতি দিন দিন বাড়ছে৷ সমাজের এই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে তরুণদের প্রতি জার্মানির মোটিভেশন ট্রেনার গাব্রিয়েলে ভিনকে-র পরামর্শ ‘ডিজিটাল ডায়েট’, অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার কিছুটা কমিয়ে দিতে হবে৷

সোশ্যাল মিডিয়ার দিকে ধীরে ধীরে তরুণরা যেভাবে আকৃষ্ট হয়েছে ঠিক সেভাবেই আস্তে আস্তে কমাতে হবে৷ একেবারে বাদ দেওয়ার কথা কিন্তু এখানে কেউ বলছেন না, কাজেই ভয় নেই! আর এর প্রথম পদক্ষেপ বা লক্ষ্য হবে খেলাধুলা বা শরীরচর্চা করা৷ কাজেই আর দেরি নয়, উপযুক্ত জুতো পরে নিন৷
দিনের অনেকটা সময় কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে কাটানোর ফলে শরীর কেমন ম্যাজম্যাজ করে কিংবা অনেকদিন শরীরচর্চা না করায় কেমন এক অলসতা পেয়ে বসেছে৷ তাই প্রথমদিন বেরিয়ে মাত্র ১০ মিনিট হাঁটুন বা দৌড়াদৌড়ি করুন৷ ভালো লাগলে সময়সীমা বাড়িয়ে দিন৷

অলসতা আসলে কী ?
অলসতা হচ্ছে কর্মহীন থাকার শারীরিক ও মানসিক ইচ্ছা, কোনকিছুই করতে না চেয়ে উদ্যমহীন হয়ে থাকা । সোজা কথায় নিস্ক্রিয় থাকার ইচ্ছার নাম অলসতা ।সময়কে কাজে লাগিয়ে সব সময় কোনো কাজে যুক্ত থাকাই সত্যিকারের বুদ্ধিমানের কাজ । কিন্তু অলসতা আমাদের কর্মঠ থাকতে দেয় না । সব কাজের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায় । আর এটা আসে মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি থেকে । তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই । কিছু কৌশল বা আচরণীয় পন্থা অবলম্বন করে আমরা সহজেই অলসতা কাটিয়ে উঠতে পারি । তোমাদের জন্য অলসতা কাটানোর উপায় তুলে ধরা হল ।

অলসতা দূর করার প্রথম পদক্ষেপ হল , যে বিষয়গুলো অলসতা তৈরী করে সেগুলো থেকে দূরে থাকা । এই যন্ত্রযুগে অলস সময়গুলোর সঙ্গী হয়ে থাকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, স্মার্ট ফোন, টিভি ইত্যাদি । এগুলো থেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও দূরে থাকো । মোবাইল গেম এর মত বিষয়ের থেকে সরে গিয়ে , হাতে পায়ে সক্রিয় থাকার মতো কিছু করো ; যেমন – হাতের কাজ , লেখালেখি , ড্রইং বা কিছু বানানো ইত্যাদির মধ্যে মনোনিবেশ করো

বিন্দু বিন্দু জলেই সিন্ধু গড়ে ওঠে । বড় কোন কিছুর শুরু হয় ছোট থেকেই । তাই ধারাবাহিকভাবে ছোট ছোট কাজের মাধ্যেমে অলসতাকে হার মানাতে পারো ।
একটি কাজকে ছোটছোট অনেকগুলো অংশে ভাগ করে নাও। আমরা অনেক সময় বেশ বড় ও জটিল কোন কাজ হলেই ঘাবড়ে যাই । এই কাজটি করতে গেলে অনেক সময় লাগবে, বেশ পরিশ্রমের কাজ- এমন ভাবনা থেকে কাজ করার ইচ্ছাটা চলে যেতে থাকে । কিংবা কিছুদিন কাজটি চালিয়ে যাবার পর একপর্যায়ে ছেড়ে দেই । এমন ক্ষেত্রে সহজেই তুমি সমস্যাটিকে সমাধান করতে পারবে ৷ সামনে একটা খাতা নাও আর কাজের স্টেপগুলো লেখো , প্রথমের কাজটিতে হাত দাও , নিজের অজান্তেই দেখবে কাজটির শেষে পৌঁছে গেছ ।

নতুন অভ্যাস গড়ে তোলো , পুরোনো অভ্যাস কাটানোর জন্য নতুন অভ্যাস গড়ে তুলতে হয়। পুরোনোকে বাদ দেওয়ার চেয়ে নতুন অভ্যাস গড়ে তুললে নিজের আলস্য কাটানো যায় । ছোট ছোট অভ্যাসে নিজের অলসতা কাটানো শুরু করো ৷ আজই লিফটে না চড়ে সিঁড়ি দিয়ে ওঠো কিংবা পুরো পত্রিকা মনোযোগ দিয়ে পড়ো । আর হ্যা আজই শুরু করে দাও ।

আমাদের সবার একটা সাধারণ সমস্যা হচ্ছে কোন কাজ করতে গেলে তার ভালোটা নিয়ে ভাবার আগেই খারাপ চিন্তাগুলো আগে মাথায় নিয়ে আসি । তুমি যদি পড়ে যাওয়ার ভয়ে দৌড়তে সাহস না করতে , তাহলে তুমি দৌড়ানো শিখতে পারতে না । তুমি যা অর্জন করতে চাইছ সেটা নিয়ে কল্পনায় একটা ঘটনা তৈরি করো ৷ যে কাজটি করতে চাইছ তার সমস্যা অথবা জটিলতা নিয়ে না ভেবে , ভাবো অলসতাকে জয় করে তুমি যদি কাজটি ঠিকমতো করে ফেলতে পারো , তাহলে তুমি কী কী পাচ্ছ ? সমস্যা নিয়ে ভাবলে কখনো কাজ এগোবে না , বরং নিরুৎসাহিত হয়ে কাজ করা থেকে বিরত থাকবে তুমি ৷

অনেক কাজ পড়ে থাকা সত্বেও যখন কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করে না । তখন কিছুটা সময় নাও । তারপর নিজেকে জিজ্ঞেস করো , যে কাজটি করছো তা ঠিক পথে এগুচ্ছে কি না , ভবিষ্যতে নিজেকে কোথায় দেখতে চাও , আর যেভাবে এগুচ্ছে তাতে কি সেই লক্ষ্য পূরণ সম্ম্ভব ? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তোমার কাজের সঠিক পথ বলে দেবে এবং অলসতা ত্যাগ করে কাজের প্রতি নতুন করে উৎসাহিত করে তুলবে । মনে রাখবে, হেরে যাওয়ার ভয়ে কখনো কাজকে ভয় পেও না ।

অনেক সময় দেখা যায় শারীরিক দুর্বলতা ও মানসিক অস্থিরতা বা ক্লান্তি কাজের প্রতি অনীহা তৈরি করে । ক্লান্তি বা অসুস্থতা ইত্যাদির জন্যই কাজের প্রতি মনোযোগ রাখতে না পারলে , তাহলে তোমার উচিত প্রথমেই বিশ্রাম নেওয়া । পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে নাও ৷ শরীরচর্চা বা হালকা ব্যায়াম করো ৷ পারলে প্রকৃতির মুক্ত পরিবেশে বেরিয়ে এসো । তুমি অনেক বেশি চাঙ্গা হয়ে উঠবে ৷ কাজের জন্য আনন্দ ফিরে পাবে । সময় থাকতে অলসতা দূর করার চেষ্টা করো । কাজে নেমে যাও — ঝাপিয়ে পড়ো। মনে রেখো , দীর্ঘসূত্রতার অপর নাম অলসতা । অলসতা শুধু কাজেই বাধা দেয় না , এর থেকেই জন্ম নেয় বিষন্নতা ও নানা ধরনের মানসিক অস্থিরতা । তাই অলসতাকে ত্যাগ করার উপায়গুলো জেনে রেখো। পরিশ্রমী ও কর্মোদ্যমী হয়ে কাজে লেগে যাও ৷ সফলতা আসবে অলসতাকে জয় করার মধ্য দিয়েই ৷

হ্যা , অলসতা দূর করার একটা উপায় হল লেখার অভ্যাস করা । আসলে লেখার মাধ্যমে হাতের পেশী সঞ্চালনের ফলে শরীরে আলসতার ভাব কেটে গিয়ে একটা ফ্রেস চনমনে ভাব আসে। তাই অবসর পেলেই লিখতে শুরু কর ।

কোন একটা কাজ আজ করবো, কাল করবো বলে ফেলে রেখেছেন? সেই কাজ কি আর করাই হয়ে উঠছে না? কথায় আছে না, “Now or Never” অর্থাৎ ‘হয় এখন না হয় কখনোই না’। সেটা হতে পারে- বিশ্ববিদ্যালয়ের টার্ম পেপার রেডি বা অফিসের কোনো প্রেজেন্টেশনের কাজ। সবই পড়ে থাকে ডেডলাইনের আগের রাতে করার জন্য। এভাবেই দিনের পর দিন অনেক কাজ জমে যাচ্ছে। এই কর্মবিমুখতার নামই ‘অলসতা’। কাজ জমানোর ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে আমাদের জানা চাই অলসতা দূর করার উপায়। চলুন তবে দেখে নেই কিভাবে দূর করতে পারি অলসতা?

অলসতা দূর করার উপায়
অলসতা মানে নিস্ক্রিয় থাকা, কাজ থেকে দূরে পালিয়ে বেড়ানো। এভাবে কাজ ফেলে রেখে দিলে পরবর্তীতে অল্প সময়ে অনেক কাজ একসাথে করতে হয়। এতে কোনো কাজেরই গুণগতমান ভালো হয় না। আবার অনেক কাজই শেষ পর্যন্ত করা হয়ে উঠে না। এই অলসতা থেকে মুক্তির জন্য অনেকেই অনেক চেস্টা করে থাকেন, কিন্তু প্রায় সময়ই সে চেষ্টা পুরোপুরি সফল হয় না। চেস্টা সফল না হওয়ার পিছনের কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে যে, আমরা অলসতা কাটানোর জন্য অনেক রকম পরিকল্পনা করে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামি। এভাবে প্রথম অবস্থায় বেশি নিয়ম-কানুন মানা সম্ভব হয় না, ফলে অলসতা আরো বেড়ে যায়। আজকে অলসতা দূর করার ৩টি কার্যকরী উপায় নিয়ে হাজির হলাম। আশা করছি এই লেখা পড়ার পরে আপনার অলসতা পালাবেই।

জীবনের সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য নির্ধারণ
আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীর সব কিছুরই একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে। কোনো কিছুই লক্ষ্যহীনভাবে চলতে পারে না। আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী হয়ে যদি আমাদের লক্ষ্য ঠিক করা না থাকে তবে কীভাবে চলে বলেন? মানুষ যদি লক্ষ্যহীনভাবে চলে তবে একদিন বা দুইদিন বা বড়জোর কিছুদিন পরেই তার কাজের প্রতি কোনো আগ্রহ থাকবে না। সে হয়ে যাবে সমাজ-সংসারের চোখে অলস একজন মানুষ। সেটা যে কি পরিমাণ অপমানের, তা শুধু সেই অলসতায় আচ্ছন্ন মানুষই অনুভব করতে পারবে। এই অলসতা থেকে বাঁচতে অলসতা দূর করার প্রথম উপায় হলো, নিজের জীবনের সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য ঠিক করে নিন। আপনি নিজেকে ঠিক কোন জায়গায় দেখতে চান, বা কেমন দেখতে চান সেটা ঠিক করে নেয়া প্রথমেই খুব জরুরি। জীবন নিয়ে সুনির্দিষ্ট ভাবনাটাকে কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন তার একটি খসড়া করে নিন। এরপর জরুরি হলো, আপনার কোন ধরনের দক্ষতা হলে জীবনের লক্ষ্যটা অর্জন করা সহজ হবে সেটা খুঁজে বের করা। বা এমনও হতে পারে যে, আপনার পছন্দের কোনো কাজকেই দক্ষতাতে পরিণত করে নেয়া। আপনি যদি এখন ছাত্রজীবনে থাকেন তবে পড়াশুনার পাশাপাশি আপনার পছন্দমতো কোনো বিষয়ের উপর, যেমনঃ গ্রাফিক্স, মেকানিক্যাল বা অন্য যেকোনো বিষয়ে একটা কোর্স করে নিতে পারবেন অথবা ইউটিউব বা নেট ঘেঁটে নিজেই একটু বিষয়টা নিয়ে পড়াশুনা করে নিন। এই ছাত্রজীবনই হলো শেখার জন্য আদর্শ সময়। তবে কারো যদি ছাত্রজীবন পার হয়ে যায়, তবে বসে বসে আফসোস না করে কাজে নেমে পড়ুন। মনে রাখবেন, ‘শেখার কোন শেষ নেই, বয়স নেই’!

কাজগুলোকে ভাগ করে নিন
অলসতা কাটানোর জন্য অনেক রকম পরিকল্পনা করে নিয়ে সেই অনুযায়ী কাজ করবেন বলে ভেবে রেখেছেন, কিন্তু সেইভাবে কাজ করতে পারছেন না। এর কারণ হতে পারে, একসাথে অনেক কাজ করতে হবে ভেবে আপনার কোনো কাজেই মন বসছে না। মনে রাখতে হবে, যে ব্যক্তি অলসতায় আচ্ছন্ন সে কিন্তু প্রথমেই বেশি কাজের প্রতি মনোনিবেশ করতে পারবে না। সেইজন্য যা করতে হবে তা হলো, আপনার জীবনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে নিজের কাজগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নিন। বড় কোনো কিছু অর্জন করতে গেলে ছোট পদক্ষেপ বা ছোট লক্ষ্য অর্জন করেই সামনে এগিয়ে যেতে হয়। এই সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজেকে ভালোবাসা, নিজের কাজকে ভালোবাসা, নিজের অলসতা দূর করার জন্য নিজেই নিজেকে অনুপ্রাণিত করা। কাজ বা পড়াশুনার জায়গা বা আশেপাশের পরিবেশকে করে তুলুন আনন্দময়। এতে কাজ করার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে। কাজের প্রতি অলসতা কাটাতে আরো একটি অত্যাবশ্যকীয় কাজ করা অতীব জরুরি তা হলো- যেসব কাজে আপনার মন অন্য দিকে ধাবিত হবে সেসব কাজ থেকে দূরে থাকা। বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকাটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া, একসাথে অনেকগুলো কাজ বা কয়েকটি ট্যাব ওপেন করে কাজ করবেন না, এতে কোনোটার প্রতিই পূর্ণ মনযোগ ধরে রাখা যায় না। আর কাজের সময় ফেসবুক থেকে তো দূরে থাকাই শ্রেয়। বেশিরভাগ মানুষ প্রথম অবস্থায় কাজে মন দিতে পারে না। কারণ, সে চায় পুরোপুরিভাবে সফলতা। এটা আসলে কোনোভাবেই বাস্তবতার সাথে যায় না। প্রথম কাজেই একদম নিখুঁত হতে হবে এমন কোনো কথা নেই।

অনুপ্রেরণা গ্রহণ
অলসতা কাটানোর আরেকটি শক্তিশালী উপায় হলো- সফল ব্যক্তিদের জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিতে হবে। আপনি একটু ভেবে দেখুনতো, মানুষ জীবনে অলসতা করে কি কখনো সফলতার মুখ দেখেছে? পৃথিবীর সকল মানুষ তার জীবনে কঠোর পরিশ্রম করেই এরপর সফল ব্যক্তিদের কাতারে নাম লিখিয়েছেন। তাই অলসতা দূর করার জন্য সফল ব্যক্তিদের জীবন কাহিনী পড়তে হবে, জানতে হবে। তাদের অনুসরণ করতে হবে। শুধু সফল ব্যক্তিই নয় বরং এই অনুপ্রেরণা আপনার আশেপাশের মানুষ বা আপনারই প্রিয়জনের কাছ থেকেও আসতে পারে।

অলসতা করে শুধু কাজের ব্যাঘাত ঘটে তা না, শরীর ও মনেও অনেক বিরূপ প্রভাব পড়ে। যার ফলে, মানুষ বিষণ্ণবোধ করে। তাছাড়া অলস মানুষ সমাজ-সংসারের কাছে অনেক বিদ্রুপের শিকার হয়। এইসব থেকে বাঁচতে হলে নিজের ভেতরকার অলসতা কাটিয়ে উঠুন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। আলসেমি করে সময় কাটনোর পরে আফসোস করার চেয়ে সময় থাকতে এই ভুল থেকে শিক্ষা নিন। হয়ে উঠুন পরিশ্রমী এক সফল ব্যক্তি।

মানুষের খাদ্যাভ্যাসের উপর তার শারীরিক অবস্থা নির্ভর করে । যেমন বেশি বেশি মাংস , আমিষ জাতীয় খাবার বা বেশি মসলাযুক্ত খাবার মানুষের পেটে HCL acid তৈরি করে । যার ফলে বেশি ঘুম পায় , সবসময় তন্দ্রা ভাব আসে । আর এর পরিণতিই হল অলসতা । তাই খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন , বেশি মসলাযুক্ত আর ফ্যাটজাতীয় খাবার নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি খেতে নেই । শরীর চনমনে আর কর্মঠ রাখতে নানা ধরণের ফল খাওয়া দরকার । ফল , জুস , লেবু ইত্যাদি খাবার প্রতিদিনের তালিকায় রাখলে শারীরিক অলসতার ভাব কমে যাবে আর কাজেও আগ্রহ বাড়বে ।

Comments are closed.